প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি

কান সম্পর্কিত সমস্যা

কানের ময়লা (ear wax) একটি স্বাভাবিক নিঃসরণ, যা কানের পর্দাকে সুরক্ষা দেয়। তবে অনেক সময় এটি জমে গিয়ে কানে ব্লক, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া বা ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে, তখন এটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন হয়।
বাজারের কটন বাড নিয়মিত ব্যবহার করা ঠিক নয়, কারণ এটি কানের ক্ষতি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

কানের পর্দা শব্দ গ্রহণ ও শ্রবণে সাহায্য করে। এটি ছিদ্র হলে সার্জারির মাধ্যমে মেরামত করতে হয়, যাকে Myringoplasty বলা হয়।
যদি কানের ছোট হাড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে তা ঠিক করার জন্য Tympanoplasty করা হয়।

শিশুদের ক্ষেত্রে নাক বন্ধ বা সর্দি থেকে কানের নালী বন্ধ হয়ে তরল জমতে পারে, ফলে কানে ব্যথা ও শ্রবণ সমস্যা হয়।
এ ক্ষেত্রে কানের পর্দায় ছোট টিউব বসানোর একটি সহজ অপারেশন করা হয়, যাকে Myringotomy-Grommet বলা হয়।

শিশুদের ক্ষেত্রে নাক বন্ধ বা সর্দি থেকে কানের নালী বন্ধ হয়ে তরল জমতে পারে, ফলে কানে ব্যথা ও শ্রবণ সমস্যা হয়।
এ ক্ষেত্রে কানের পর্দায় ছোট টিউব বসানোর একটি সহজ অপারেশন করা হয়, যাকে Myringotomy-Grommet বলা হয়।

বারবার ঠান্ডা লাগা বা সংক্রমণের কারণে কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুঁজ বের হতে পারে এবং শ্রবণশক্তি কমে যায়।
এ ক্ষেত্রে পরিষ্কার রাখা, ওষুধ এবং পরে Myringoplasty / Mastoidectomy / Tympanoplasty প্রয়োজন হতে পারে।

বারবার ঠান্ডা লাগা বা সংক্রমণের কারণে কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুঁজ বের হতে পারে এবং শ্রবণশক্তি কমে যায়।
এ ক্ষেত্রে পরিষ্কার রাখা, ওষুধ এবং পরে Myringoplasty / Mastoidectomy / Tympanoplasty প্রয়োজন হতে পারে।

এটি একটি রোগ যেখানে কানের একটি হাড় শক্ত হয়ে যায়, ফলে ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমে যায় এবং কানে শব্দ শোনা যায়।
এর চিকিৎসা সার্জারি (Stapedectomy) বা হিয়ারিং এইড ব্যবহার।

শ্রবণ সমস্যা

এটি কানের বিভিন্ন ফাংশন পরীক্ষা করার একটি পূর্ণাঙ্গ টেস্ট, যা প্রশিক্ষিত অডিওলজিস্ট দ্বারা করা হয়।

হিয়ারিং স্ক্রিনিং টেস্ট | মূল্য: ৪০০ টাকা

এর অন্তর্ভুক্ত:

  • Stapedial Reflex Threshold Test (SRT) / Speech Discrimination Score (SDS)
  • Pure Tone Audiometry (PTA)
  • Impedance Audiometry
  • পরামর্শ (Consultation)

যাদের জন্য প্রয়োজন:

  • মোবাইল বেশি ব্যবহারকারী
  • কল সেন্টার কর্মী
  • কারখানার উচ্চ শব্দে কাজ করা ব্যক্তি
  • শিশুদের বিকাশে সমস্যা (স্পিচ ডিলে, অটিজম ইত্যাদি)
  • দীর্ঘ সময় ওটোটক্সিক ওষুধ গ্রহণকারী
  • যাদের কোনো রোগে শ্রবণ সমস্যা হতে পারে

সাইনাস হলো নাকের চারপাশে থাকা বাতাসপূর্ণ জায়গা। এগুলো বন্ধ হয়ে গেলে সাইনুসাইটিস হয়।
লক্ষণ: নাক বন্ধ, পুঁজ, মাথাব্যথা, হাঁচি, জ্বর ইত্যাদি।

চিকিৎসা:

  • ওষুধ
  • স্টিম ইনহেলেশন
  • অ্যান্টিবায়োটিক
  • ডিকনজেস্ট্যান্ট

সার্জারি:
FESS (Functional Endoscopic Sinus Surgery)
এবং প্রয়োজন হলে CT Scan করা হয়।

  • অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: হাঁচি, নাক বন্ধ, পানি পড়া — ওষুধ ও এড়ানোর মাধ্যমে চিকিৎসা
  • Deviated Nasal Septum: নাক বাঁকা হলে সার্জারি (Septoplasty)
  • নাক থেকে রক্ত পড়া: বিভিন্ন কারণে হতে পারে, সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন
  • Nasal Polyp: দীর্ঘ অ্যালার্জিতে পলিপ তৈরি হয়, সার্জারি দরকার
  • নাকের বিকৃতি: সার্জারি (Septorhinoplasty) দ্বারা ঠিক করা হয়

টনসিল গলার ভিতরের একটি সুরক্ষা অংশ, যা সংক্রমিত হলে গলা ব্যথা ও জ্বর হয়।
বারবার সমস্যা হলে এটি অপারেশন করে কেটে ফেলা হয়।

শিশুদের অ্যাডেনয়েড সমস্যা হলে:

  • নাক বন্ধ
  • মুখ দিয়ে শ্বাস
  • নাক ডাকা
  • কানের সমস্যা

তখন টনসিল ও অ্যাডেনয়েড উভয়ই অপারেশন করা হয়।

মুখ, গলা ও ঘাড়ের ক্যান্সার আমাদের দেশে বেশি দেখা যায়। কারণ:

  • পান, তামাক
  • ধূমপান
  • খারাপ মুখের স্বাস্থ্য

লক্ষণ:

  • মুখে ঘা
  • গলায় গুটি
  • কণ্ঠ পরিবর্তন
  • গিলতে কষ্ট

প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করলে চিকিৎসা সম্ভব।

কণ্ঠস্বর পরিবর্তন বা ভাঙা কণ্ঠ সাধারণত:

  • ভোকাল কর্ডে নডিউল/পলিপ
  • ভোকাল কর্ড প্যারালাইসিস

পরীক্ষা:

  • Fibreoptic Laryngoscopy (FOL)

চিকিৎসা:

  • Microlaryngeal Surgery
  • CO₂ Laser Surgery
  • Vocal Cord Medialization Surgery
  • স্পিচ থেরাপি
Scroll to Top